বাংলাদেশের চাকুরী খোঁজার ওয়েবসাইট

বেকার ভাই-বোনদের জন্য নিয়ে এলাম চাকুরী খোঁজার ওয়েবসাইট এর ঠিকানা ।
চাকুরী পেলে মিষ্টি খাওয়াতে ভুলবেননা যেনো...!!!! ;)

চট্টগ্রামের ভাই বোনদের জন্য স্পেশাল
চিটাগং জবস
 Private Commercial Banks

































Central Bank

State-owned Commercial Banks





Specialized Development Banks

 Ansar VDP Unnyan Bank

Foreign Commercial Banks








বাংলা ব্লগসমুহ


বিসিএস ,বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ও যে কোন চাকরির পরীক্ষার জন্য বাংলা বই(বাংলা ব্যাকরণ ও সাহিত্য )

বিসিএস, পিএসসি, ব্যাংকার্স রিক্রুটম্যান্ট, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি, মাধ্যমিক বা প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ, বিভিন্ন মন্ত্রনালয়, যে কোন প্রতিয়োগিতার জন্য প্রয়োজনীয় বাংলা বই(সরাসরি ডাউনলোড করার লিঙ্ক)
Bangla Grammar(বাংলা ব্যাকরণ এর সব বিষয় নিচে দেওয়া হল)
Akk Kothai Prokash.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?k6dxfs4rgddo19g

Bagdhara.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?sp3blni2yah2rp7

Bangali Kobi & Shahittik.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?t1yyotk77772sqb

Bangla Banan(Banan , Notto -Shotto Bidhan& Biram Chinho).pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?i60puvgcm0nsu6a

Bangla Grammar(Mix).pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?1do4vyj1klk211z

Bangla Model Question.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?bk9m860ki1y7ode

Bangla Sentence & Part of Speech.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?rhw66qb6t2r4afw

Bangla Shobdho.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?5c108eeayrt47py

Bangla Vasha & beakoron.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?7eodxreyfgavwd3

Biporith Shobdho.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?9dvw153l7dp9824

Bochon & Bornno(Uchcharon).pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?348zs8oaoe4jjop

Karoak & Vibokti.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?y14o8zwb587rn23

Kobi & Shahittik life Story .pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?hwz4yrg8ewi1885

Parivashik Shobdho.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?0gn95t9d1u60dd5

Protishobdho,Upsorgho & Protoy.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?sbamrygcje44vyc

Shondhi.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?bm8qky0h3okczm6

Somash.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?qm7pjom99q2ynm2

Somouccharit Shobdho.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?26p363xst3a6303

Bangla Literature
বাংলা কবি ও সাহিত্যিকের প্রয়োজনীয় সব বিষয় নিচে দেওয়া হল।
Bangla Vasha.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?kkanptd2ajb6utx

bangla important.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?2lc4gh8zd4tv264

Bangla kobi & shahittik A2Z.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?trm1kfoe3oekkqh

Bangla kobi With Picture.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?yngqap7hphr5c14

Bangla literature.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?r17fbja6uu0a9x9

famous bangla writer.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?td0285kihue9d4v

Kazi Nazrul Islam.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?h686qxgn6hhbpt5

Robindronath Tagore.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?qbtp9x98dj92lad

ইংরেজি গ্রামার(বিসিএস ,বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ও যে কোন চাকরির পরীক্ষা) শিখার জন্য কিছু বাংলা ই-বুক(আশা করি সবার কাজে লাগবে)

ইংরেজি হল একটি আন্তর্জাতিক ভাষা। আমরা দৈনন্দিন জীবনে দু’একটা ইংরেজি বলেই থাকি। অনেকে আবার একে বাংলা ভাষার চেয়ে অধিক গুরুত্ব দেন। সে যাই হোক, কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে জীবনের নানা পর্যায়ে ইংরেজি নামক অধ্যায়ের কিন্তু গুরুত্ব অপরিসীম। আজকাল ভাল ভাল চাকরির জন্য ইংরেজিতে চটপটা হওয়া অপরিহার্য। কিন্তু আমরা কজনই বা পারি সাবলীল ভাবে ইংলিশ বলতে বা লিখতে।ইংলিশ বলার সময়  কিন্তু খুব একটা ভুল চোখে পরে না । কিন্তু লিখার  সময় আমাদেরকে অবশ্যই গ্রামার মেনে বিশুদ্ধ ভাবে লিখতে হয়। এজন্য আমাদেরকে টেকনিক মেনে ইংলিশ গ্রামার শিখতে হবে......
নিচের বইগুলো শিক্ষার্থীদের  ইংরেজি গ্রামার সম্পর্কে তাদের মনের কোনে লুকিয়ে থাকা গ্রামার সম্পর্কিত অনেক প্রশ্নের জবাব হাজির করবে। সম্পূর্ণ নতুন একটি ভঙ্গিতে রচনা করা এ বইগুলো  খুব সহজ -সরলভাবে কিছু টেকনিক , নিয়ম ও উদাহরণ মাধ্যমে ইংরেজি গ্রামার বিষয়টিকে ই-বুকের মাধ্যমে টিউনারদের  কাছে উপস্থাপন করলাম...... । আর এই বইগুলো  আমারমত যারা শ্রেণীকক্ষের গন্ডি পেরিয়ে গেছেন অথচ প্রতিনিয়ত বিব্রত হন গ্রামারের টুকিটাকি সমস্যা নিয়ে, তাদের জন্যও বইগুলো যথেষ্ট সহযোগিতা দেবে। ইংরেজি শিক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের ভার্চুয়াল জগতের ব্লগার ও টিউনারদের দৈনন্দিন সমস্যা সমাধানের একটি কার্যকর উপকরণ হিসেবে বইটি কাজে লাগবে বলেই আমার বিশ্বাস।
English Grammar(for BCS & Job)
সম্পর্কে ভাল ভাবে জানার জন্য নিচের বাংলা বই গুলো ডাউনলোড করুন - ইউনিকোড ফরম্যাটে যা খুব সহজে Mobile ও Computer পড়তে পারবেন.........
Uses of Articles.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?inq8ailmdfir61d
Analogy (English grammar).pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?tr2w21xjxdb3d6p
Subject Verb Agreement.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?ux3c8a3na2ck3u0
Tag Questions.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?imix4n4veeixxa9
Tense & Translation.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?clrswb28ay9ypel
Idioms and Phrases.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?z58lo3hhpeg908y
Parts Of Speech.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?5k2yel1g5kvh68z
Noun.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?obo9ga9y8js9c59
Countable and uncountable noun.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?ddyb6ukvhs4uulz
Pronoun.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?ddozbj3dc8v4o3c
Adjective.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?vbcu13yugpj738d
Degree.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?u7l5cnhslj3p7z0
Verb.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?7xj56txqnpa77bn
group verbs.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?4ry3thvltt4sm5q
Adverb.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?e1dq5uoc353z5cf
Preposition And Conjunction.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?xcwkw08ugmcz89w
Appropriate Preposition.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?0ds5wb8oe22xiyk
For Self Practice.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?ax98nld7v2or2v1
Vocabulary.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?g9a1mcxaq85n7z7

১৯৭১ : পাকসেনাদের ধর্ষণ ও এর পরিণতি :: প্রতিদিন শত নারীর গর্ভপাত করিয়েছি : ডা. ডেভিস



মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি বড় অস্ত্র ছিল পাকিস্তানি সেনা কর্তৃক বাঙালি নারীদের ধর্ষণ। এর ফলে অনেক নারী গর্ভবতী হয়ে পড়েন। জন্ম নেয় অনেক যুদ্ধশিশু। অনেক নারী বেছে নেন আত্মহত্যার পথ। অনেকে চেষ্টা চালান গর্ভপাত ঘটানোর। ধর্ষিতা নারীদের গর্ভপাত ঘটাতে চিকিৎসা সহায়তা দিতে ১৯৭২ সালে এগিয়ে আসেন অস্ট্রেলীয় চিকিৎসক ডা. জিওফ্রে ডেভিস। তিনি সে সময় দিনে ঢাকায় প্রায় একশ নারীর গর্ভপাতও ঘটিয়েছেন। ডা. জিওফ্রে ডেভিসের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন অস্ট্রেলীয় ইতিহাস গবেষক ড. বিনা ডি কস্তা। তার ভিত্তিতেই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন মেহেদী হাসান স্বাধীন।


‘আমি বাঁচাতে চেয়েছি সেসব শিশুদের, যাদের জন্ম পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বন্দীশিবিরে কারারুদ্ধ থাকা বাঙালি নারীর গর্ভে।’ এ কথা ডা. জিওফ্রে ডেভিস-এর।


১৯৭২ সালে অস্ট্রেলিয়ান এই চিকিৎসক বাংলাদেশে ছুটে আসেন মানবিক সহায়তা দিতে। সে সময় বহু নারীকে গর্ভপাত ঘটাতে সহায়তা করেন তিনি। ওইসব নারী পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী দ্বারা ধর্ষিত হয়েছিলেন। অনেকেই আটক ছিলেন বন্দীশিবিরে। ডা. ডেভিসের ওই সময়কার অভিজ্ঞতার ওপর ২০০২ সালে একটি সাক্ষাৎকার নেন ইতিহাস গবেষক অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ড. বিনা ডি কস্তা। তিনি অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত ইতিহাস বিষয়ক প্রবন্ধ-নিবন্ধকে আরো সমৃদ্ধ করতে বাংলাদেশে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত নারীদের ওপর গবেষণা চালান। আর ওই গবেষণার ধারাবাহিকতায় তিনি ডা. ডেভিসের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন।


ওই গবেষণা প্রবন্ধে বিনা ডি কস্তা ডা. ডেভিসকে ১৯৭১ সালে নির্যাতিত নারীদের অসহায়ত্ব ও দুর্ভোগের প্রামাণিক সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করেন। যার কাছ থেকে হানাদারবাহিনীর নির্যাতনের একটি মূল্যবান দলিল পাওয়া যাবে।


সাক্ষাৎকারটিতে বিভিন্ন বিষয় উঠে আসলেও মূলত পাক সেনাদের নারী ধর্ষণের ফলে পরবর্তীতে যে নেতিবাচক সামাজিক ও মানবিক প্রভাব পড়ে বাংলাদেশের সমাজে সেটাই তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন বিনা ডি কস্তা।


যে নারীরা ওই সময় ধর্ষিত হয়েছিলেন তারা পরবর্তীতে সামাজিকভাবে কী অবস্থার সম্মুখীন হয়েছিলেন? এ বিষয়টি বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পরও আড়ালে থেকে গেছে। জানা গেছে, সে সময় বন্দীশিবির থেকে মুক্ত হয়ে আসা নারীদের একটা বড় অংশই তখন গর্ভবতী হয়ে পড়েন। আর এ বিষয়টি একটা বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় নারীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে। অনেকেই বেছে নেন আত্মহত্যার পথ। তবে তাদের একটি বড় অংশ গর্ভপাত ঘটানোর চেষ্টা করেন। বিভিন্ন হাসপাতালে কিংবা সহায়তা কেন্দ্রে তখন উপচেপড়া ভিড়। আবার লোকলজ্জায় যারা আসতে ভয় পাচ্ছিলেন তাদের জন্য বিভিন্ন সংগঠন মানবিক সহায়তায় এগিয়ে আসে। খোলা হয়েছিল গর্ভপাত করানোর কেন্দ্র।


ডা. ডেভিস জানিয়েছেন, সে সময় বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরেই এ ধরনের কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়। অন্তত যেসব শহরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী প্রবেশ করে। ডেভিস মূলত বোঝাতে চেয়েছেন দেশের এমন কোনো শহর নেই যেখানে এ সমস্যাটি তখন মোকাবেলা করতে হয়নি।


ডা. ডেভিসের অভিজ্ঞতায় আরো জানা গেছে, ওই সময় কেবল নারী ধর্ষণের বিষয়টিই মুখ্য ছিল না; যুদ্ধশিশু বিষয়টিও প্রধান হয়ে ওঠে। এসব যুদ্ধশিশুর লালন-পালনের ভার তুলে দেয়া যাচ্ছিল না কারো ওপর। সে সময় কয়েকটি সংগঠন এসব যুদ্ধশিশুদের ইউরোপে পাঠাতে তৎপর হয়ে ওঠে। কারণ সেখানে তাদের দেখভালের যথেষ্ট সুযোগ ছিল। আর যেসব হোমস ছিল সেখান থেকে বিভিন্ন দেশের মানুষ এসব যুদ্ধশিশু দত্তক নিতো।


যদিও যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনী ধর্ষণকে ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করে। যা ভয়ঙ্কর রূপ পায় ১৯৭১-এর যুদ্ধে। ডা. ডেভিস বিনা ডি কস্তাকে জানান, এমন এক নারীর অভিজ্ঞতা আমার জানা আছে যাকে দীর্ঘদেহী পাঞ্জাবী সৈনিক দিয়ে বারবার ধর্ষণ করানো হয়েছিল। যাতে তিনি যন্ত্রণা পান এবং গর্ভবতী হয়ে পড়েন। আর এ আচরণ সবার ক্ষেত্রেই ওই সময় সত্য হয়ে ওঠে। তবে ডা. ডেভিস এও বলেন, যারা নির্যাতিত হয়েছেন তাদের স্বামীরা কিংবা পরিবারের সদস্যরা এ বিষয়ে মুখ খুলতে চাইতো না। যেমনটি চাইতো না গর্ভে থাকা যুদ্ধশিশুর জন্ম হোক।


আরো অনেক কথা উঠে এসেছে ডা. ডেভিসের কথায়। সাক্ষাৎকারে ডেভিস বলেন, অপরিকল্পিত গর্ভধারণ রোধ করতে আমার টেকনিক্যাল জ্ঞান ছিল। আমি ইউকে থেকে প্রশিক্ষণ নিই। যদিও আমি বাংলাদেশে গর্ভধারণের ৩০ সপ্তাহের পরও গর্ভপাত ঘটিয়েছি।


ঢাকার কোন জায়গায় কাজ করেছিলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান তিনি ধানম-ির কোনো একটি ক্লিনিকে কাজ করেছেন। তিনি বলেন, আমি দেশের অন্য শহরগুলোতেও কাজ করেছি যেখানে হাসপাতালের সুষ্ঠু কোনো ব্যবস্থা ছিল না। আমি সেখানকার অনেক মানুষকেই প্রশিক্ষণ দিয়েছি। এরপর দেখলাম এ সংখ্যা (গর্ভবতী) আরো বেড়েই চলেছে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা হাল ধরলে আমি সে স্থান ছেড়ে অন্য স্থানে ছুটে গেছি।


ডেভিস বলেন, আমি যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের নারীদের পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনতে একটি সংস্থা গড়ে তুলি। যেটির ইনচার্জ ছিলেন বিচারপতি কে এম সোবহান। চেষ্টা করা হয়েছিল যুদ্ধে গর্ভবতী হয়ে পড়া নারীদের একত্রিত করার। যারা গর্ভপাত ঘটাতে চেয়েছেন তাদের সহায়তা করা, আর যারা শিশু জন্ম দিতে চেয়েছেন কিন্তু শিশুর দেখভালের দায়িত্ব নিতে চাননি তাদের শিশুগুলোকে ইন্টারন্যাশনাল সোস্যাল সার্ভিসে (আইএসএস) জড়ো করার চেষ্টা করেছি। বিচারপতি সোবহানই ওই সংগঠনের প্রধান ছিলেন, আরো একজন খুব অ্যাকটিভ ছিলেন। ভন ইস্কুক; আমি তার নামের প্রথম শব্দটি মনে করতে পারছি না। আমার মনে হয় তার স্ত্রীর নাম ছিল মেরি। তারা আর্থিকভাবে সহায়তা করেছিলেন। যে সব বাঙালি আমার সঙ্গে ছিলেন তাদের নাম মনে করতে পারছি না। সাধারণত এর আগে কেউ এ ধরনের ইতিহাস জানতে চায়নি।


ডেভিস আরো বলেন, এটা সবারই জানা কমনওয়েলথের সদস্য পশ্চিম পাকিস্তানের সেনাবাহিনী তখন ইংল্যান্ড থেকে প্রশিক্ষিত। সুনাম অর্জন করেছে বিদেশেও। যা ব্রিটিশ সরকারকে তীব্র লজ্জায় ফেলে। অথচ এ বিষয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের প্রশাসকদের কোনো স্নায়বিক উত্তেজনাও ছিল না। আমি তাদের অনেকের সাক্ষাৎকার নিয়েছি। যাদের অনেকেই কুমিল্লার কারাগারে বন্দী ছিল। তাদের অনেকে বলছিল, এটা ছিল যুদ্ধ। যেখানে আমাদের জন্য সব বৈধ ছিল।


যুদ্ধ চলাকালে সৈনিকদের নারী ধর্ষণকে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ কিভাবে বৈধতা দিয়েছিল জানতে চাইলে ডা. ডেভিস বলেন, তারা জেনারেল টিক্কা খানের সমন পেয়েছিল। যেখানে নির্দিষ্ট করে দিকনির্দেশনা দেয়া ছিল। বলা হয়েছিল ‘একজন ভালো মুসলমান’ যে কারো বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারে; এ তালিকায় তার পিতাও বাদ পড়বে না। যার ফলে তারা বাঙালি নারীদের ধর্ষণে মত্ত হয়ে পড়েছিল। এটাই এ ঘটনার পেছনের মূল কারণ।


এভাবে ধর্ষণের পেছনে যুক্তি কী ছিল জানতে চাইলে তিনি তার মত ব্যক্ত করে বলেন, পাকিস্তানিরা চেয়েছিল পুরো পশ্চিমের আদলে একটি প্রজন্ম গড়ে উঠবে পূর্বে। যা তারা বলেছিলও। হয়তো এখানে তাদের দীর্ঘ কোনো পরিকল্পনা ছিল।


পাকিস্তান থেকে পাওয়া অনেক তথ্য থেকে জানা গেছে, পাকিস্তানিদের দাবি ধর্ষণের এ সংখ্যাকে অতিরঞ্জিত করা হয়েছে। আপনি কি মনে করেন এটি সত্যি? এ প্রশ্নের জবাবে ডেভিস বলেন, না। সম্ভবত এ সংখ্যাকে খুব সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে যা তারা ঘটিয়েছে। এর ব্যাখ্যা আসতে পারে তারা কয়টি শহর দখল করেছিল। তারা পদাতিক বাহিনীকে পশ্চাতে রেখে গোলন্দাজ বাহিনীকে পাঠিয়েছিল হাসপাতাল, স্কুলে শেল নিক্ষেপ করতে। আর এ কারণেই শহরে নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়েছিল। হয়েছিল বিশৃঙ্খলা। পদাতিক বাহিনী পরবর্তীতে প্রবেশ করায় তারা হয়তো নারীদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল। এর মানে এ নয় যে তারা ধর্ষণে লিপ্ত হয়নি। শিশুদেরও তারা রেহাই দেয়নি। তাদের বুলেটের সামনে থেকে কেউ রক্ষা পায়নি। পদাতিক বাহিনী শহরের শেষ সম্বলও লুণ্ঠন করে। নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায়। নারী-শিশু ধর্ষণ করে। যারা তৎকালীন আওয়ামী পন্থী ছিলেন কিংবা মুক্তিযুদ্ধে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েন তাদের তো কোনো রেহাই ছিল না। আর সে সময় মেয়েদেরকে পাহারারত অবস্থায় কম্পাউন্ডে আটকে রাখা হয় যাতে সৈনিকদের সরবরাহ করা যেতে পারে।


আপনি কি এমন কোনো নারী কিংবা পুরুষের সঙ্গে কথা বলেছেন যে ওই সময়ের যুদ্ধে সরাসরি অভিজ্ঞ। বিশেষ করে কোনো নারী যিনি বন্দিশিবিরে ধর্ষিত হয়েছেন? এ প্রশ্নের জবাবে ডেভিস বলেন, হ্যাঁ। আমরা প্রতিনিয়তই এ ধরনের ঘটনার বিবরণ শুনেছি। তারা বলতে গিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়তো। যেমন তারা জানিয়েছিল দীর্ঘদেহী পাঠান সৈনিকরা কিভাবে বারবার ধর্ষণ করতো। কিভাবে তাদের সেনাবাহিনীর কাছে পাঠানো হতো। সাধারণত ধনী পরিবারের কিংবা সুন্দরী নারীদের পাঠানো হতো উপরের সারির সেনা কর্মকর্তাদের কাছে। তারপর র‌্যাঙ্ক অনুযায়ী বিভিন্ন স্থান থেকে তুলে আনা মেয়েদের সরবরাহ করা হতো। ওই নারীদের পর্যাপ্ত খেতে দেয়া হতো না। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে ছিল না কোনো চিকিৎসার ব্যবস্থা। ফলে অনেকেই মারা যায় ওইসব ক্যাম্পে। আর এটি প্রমাণ করতে এমন অনেক নিদর্শনই সামনে উপস্থিত ছিল যা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু অবিশ্বাসীরাই গুজব উঠায়।


ডেভিস আরো বলেন, অনেকেই এখন বিষয়টিকে অস্বীকার করতে চেয়েছে। ভুলে যেতে চাইছে। ছুঁড়ে ফেলতে চাইছে ওই অধ্যায় যা তাদের জীবনে ঘটেছিল।


যুদ্ধপরবর্তী সময়ে কোনো বীরাঙ্গনা তাদের ওই অভিজ্ঞতা জানিয়েছিলেন কিনা জানতে চাইলে ডেভিস বলেন, না, কেউ এ বিষয়ে বলতে আগ্রহী হয়নি। তুমি প্রশ্ন করলে ঠিকই একটা জবাব পাবে। কিন্তু এটা পর্যাপ্ত নয় যা তারা স্মরণ করতে চাইতো না। কারণ পুরুষরাও এ বিষয়ে বলতে চায়নি।


ড. বিনা ডি কস্তার নেয়া ডা. ডেভিসের সাক্ষাৎকারের বাকি অংশ প্রশ্নোত্তর আকারে দেয়া হলো :


বিনা : আপনি অবশ্যই বাংলা বলতে পারতেন না। যোগাযোগের জন্য এটি কি খুব কঠিন হয়েছিল?


ডেভিস : না, আমার একজন দোভাষী ছিল। তারা খুব সহজেই সমাধান করতে পারতো। তারা আমাকে একজন দিকনির্দেশক, একজন ড্রাইভার এবং একজন মাঠকর্মীকে সঙ্গে দিয়েছিল। তারাও দোভাষীর কাজ চালিয়েছে। ড্রাইভারের নাম যতদূর মনে পড়ে মমতাজ। তবে মাঠ কর্মীর নাম মনে আসছে না। অবাক করা বিষয় সেখানকার একটা বড় অংশ ইংরেজি জানতো। যে সমস্যা আমি তিউনিসিয়ায় বোধ করেছি।


বিনা : আপনার মতে তারা (বাংলাদেশী নির্যাতিত নারীরা) কেন চুপ হয়ে যেত?


ডেভিস : কারণ আমরা ভিনদেশী ছিলাম। তারা আমাদের বিশ্বাস করে উঠতে পারেনি। তারা জানতোও না আমরা কী করতে যাচ্ছি।


বিনা : আপনি কি এমন কোনো এলাকা পরিদর্শন করেছিলেন যেখানে ধর্ষণ ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছিল?


ডেভিস : ওই ক্যাম্পগুলো গুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। আর রিহ্যাবিলিটেশন সংগঠন চেষ্টা করেছিল নির্যাতিত নারীদের তাদের গ্রামে-শহরে ফিরিয়ে আনতে। কিন্তু ওইসব নির্যাতিত নারীদের স্বামী যা করেছিল তা উদ্বেগই বাড়াবে। তারা তাদের হত্যা করতে চেয়েছিল। কারণ ওই নারীরা পরিত্যাক্ত হয়েছিল এবং তাদের অনেকেই জানতো সত্যিকার অর্থে কী ঘটেছিল ওইসব বীরাঙ্গনাদের ওপর। তাদের অনেকেই দেহত্যাগ করেছিল যমুনায়।


বিনা : স্মরণ করতে পারেন কি কতোজন নারীর গর্ভপাত ঘটিয়েছিলেনে আপনি?


ডেভিস : এটি বলা খুবই কঠিন। কিন্তু দিনে কম হলেও ১০০ জন নারীকে।


বিনা : এটি ঢাকা নাকি বাংলাদেশের অন্য কোনো শহরে?


ডেভিস : এ বিষয়ে একটি সঠিক পরিসংখ্যান বের করা যে খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার তা বলার ব্যাখ্যা রাখে না। ঢাকায়ই যেখানে অন্তত ১০০ জন সেখানে অন্যান্য শহরের কথা আসলে সে সংখ্যা অনেক বড় আকার ধারণ করে। এছাড়া অনেকেই কলকাতা গিয়েছিলেন গর্ভপাত ঘটাতে।


বিনা : একটা শতকরা হিসাব কি বলতে পারেন? শ্রেণী ভিত্তিক কিংবা ধর্মীয় ভিত্তিক কতজন নারী হবেন?


ডেভিস : এটা সব শ্রেণীর ওপরই হয়েছিল। তাদের ধর্মীয় কিংবা শ্রেণীগতভাবে আলাদা করা যাবে না। সে সময় তাদের মূল সমস্যা সমাধানই আমাদের কর্তব্য ছিল। সাধারণত, অবশ্যই ধনীরা চটজলদি কলকাতা অভিমুখী হয়েছিলেন গর্ভপাত ঘটাতে।


বিনা : গর্ভপাত ঘটানোর বিষয়ে তারা কী জিজ্ঞেস করতো? কিংবা তাদের কি কোনো মতামত ছিল? কোনো পছন্দ?


ডেভিস : হ্যাঁ, কখনো। আমরা যাদের পেয়েছি তারা সবাই গর্ভপাত করানোর জন্যেই আসেন। অন্যদিকে, যারা জন্মদানের পক্ষ অবলম্বন করেছিল, যারা রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে আসে তাদের সংখ্যা কতো এ বিষয়ে আমার খুব একটা স্বচ্ছ ধারণা নেই।


বিনা : গর্ভপাত ঘটানোর সময় আপনি কি তাদের কাঁদতে দেখেছেন কিংবা দুঃখিত হতে?


ডেভিস : না, তারা কাঁদেনি। তবে তাদের মনে গভীর দাগ পড়েছিল এটা স্পষ্ট। তারা কেবল নিশ্চুপ ছিল।


বিনা : আপনি কি গর্ভধারণের একদম শেষ পর্যায়ের কোনো গর্ভপাত ঘটিয়েছেন? কিংবা কোনো অপরিপক্ক গর্ভধারণে?


ডেভিস : হ্যাঁ, আমি সেখানে যে ছয় মাস ছিলাম তার পুরো সময়ই এ পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছি। তারা ভীষণভাবে অপুষ্টিতে ভুগছিলো। ফলে দেখা গেছে ৪০ সপ্তাহের গর্ভবতী নারীর পেট ঠিক ১৮ সপ্তাহের গর্ভবতীর মাপের সমান।


বিনা : যারা সন্তান নিয়েছেন সেসব নারীদের আপনি কী কোনো উপদেশ দিয়েছেন?


ডেভিস : উপদেশ, হ্যাঁ রিহ্যাবিলিটেশন সংস্থায়। সেখানকার নারী কর্মীদের যারা নির্যাতিতদের সঙ্গে কথা বলতো। আমি মনে করি না এটা তাদের সহায়ক ছিল। কারণ তারা সবাই অপুষ্টিতে ভুগছিল, বিভন্ন রোগে আক্রান্ত ছিল। তাদের বেশিরভাগই যৌন রোগে আক্রান্ত ছিল। দেশটিতে খুবই কম সুবিধা ছিল। ওষুধপত্র সরঞ্জামাদির তীব্র অভাব ছিল। যার অনেক কিছু আমরা নিজেরাই সংগ্রহ করেছিলাম।


বিনা : আপনি কোথা থেকে সেগুলো আনিয়েছিলেন? তা কি পর্যাপ্ত ছিল?


ডেভিস : ইংল্যান্ড থেকে। আমি বলেছিলাম আমার নিজের আনা ব্যবস্থাপত্রের কথা। এছাড়া আমি দুই সেট যন্ত্রপাতি আর এন্টিবায়োটিক নিয়েছিলাম।


বিনা : আপনি কি ওই দুই সেট দিয়েই পুরো ছমাস গর্ভধারণ রোধ করেছিলেন?


ডেভিস : হ্যাঁ, স্থানীয় হাসপাতালগুলোর যন্ত্রপাতি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। আর তা পর্যাপ্তও ছিল না।


বিনা : চিকিৎসার কাজে এটি কি নিরাপদ ছিল?


ডেভিস : এ অবস্থা অন্তত ওই সব রোগের থেকে কম বিপজ্জনক ছিল। যা তারা ধারণ করছিল।


বিনা : আর এভাবে আপনি গর্ভপাত এবং দত্তক দেয়া নেয়া দুই কাজে সংশ্লিষ্ট ছিলেন?


ডেভিস : হ্যাঁ, কিন্তু নিষ্ঠভাবে দত্তক দেয়ার বিষয়টিতে আমি আইএসএসকে সহায়তা করেছি।


বিনা : ঢাকার বাইরের অবস্থাটা তখন কী ছিল? যেখানে আপনি গিয়েছেন? সে এলাকাগুলোতে কী ধরনের সুবিধা পেয়েছিলেন?


ডেভিস : হাসপাতাল কিংবা রিহ্যাবিলিটিশন সংস্থা; আমি মনে করতে পারছি না এটাকে কী বলে ডাকা হয়েছিল! হয়তো ‘বাংলাদেশের নারীদের জাতীয় সহায়তা সংস্থা’ ডাকা হতে পারে। যেটি পরিচালিত হয়েছিল সবচেয়ে বড় কেন্দ্র হিসেবে। হাসপাতালের বেশীরভাগ কর্মীরা মনে করতেন এটি অবৈধ। যদিও এ বিষয়ে আমি স্টেট সেক্রেটারি রব চৌধুরীর একটি পত্র পেয়েছিলাম। তিনি আমার কাজে সহায়তা করেছিলেন। এটি উল্লেখ করা প্রয়োজন যে আমি চেয়েছি সব কাজ বৈধভাবে করতে আর তারা আমাকে পর্যাপ্ত সহায়তা দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন। আমি এখন ওই পত্রটি খুঁজে পাবো না। এটি কোথাও থেকে থাকবে হয়তো; বাংলাদেশ থেকে আসা অন্য কাগজপত্রগুলোর সাথে। আমি মনে করেছিলাম এগুলো প্রয়োজনীয় যতদিন আমি আর এমন কোনো ঘটনার সামনে না দাঁড়াই। তাই আমি চেয়েছি এগুলো সংরক্ষণ করতে। এটি ওই সময় খুব কঠিন ছিল।


বিনা : সব মেয়ারাই কি সাধারণভাবে গর্ভপাত ঘটাতে চেয়েছিল? কিংবা জন্মদানের পর দত্তক দেয়ার কথা ভেবেছিল? এমনকি কেউ ছিল যে তার জন্ম দেয়া শিশুকে নিজের কাছে রাখতে চেয়েছিল?


ডেভিস : জ্বি.. . তাদের খুব কম জনই এমন আগ্রহ প্রকাশ করেছিল।


বিনা : আপনি কি জানেন তাদের কী হয়েছিলো?


ডেভিস : আমার কোনো ধারণা নেই এ বিষয়ে। আইএসএস যতটা সম্ভব ওই শিশুদের নিয়ে গেছে। কারণ তখন আমেরিকা কিংবা পশ্চিমা দেশগুলোতে পর্যাপ্ত শিশু ছিল না দত্তক নেয়ার জন্য। তারা চেয়েছিলো যতো সংখ্যক শিশু সম্ভব জড়ো করার।


বিনা : (আইএসএসের কথা জানতে চাইলেন বিনা) ইন্টারন্যাশনাল সোস্যাল সার্ভিসেস?


ডেভিস : হ্যাঁ, এটি ওয়াশিংটন ডিসি-ভিত্তিক একটি সংস্থা।


বিনা : ওই মায়েদের কী হয়েছিলো?


ডেভিস : গর্ভপাত ঘটানোর পর খুব কম সময়ের জন্যই তারা সেখানে ছিল। যতদূর মনে পড়ে তারা রিলিফ এবং রিহ্যাবিলিটিশন সেন্টারগুলোতে আশ্রয় নিয়েছিল। তারা সেখানে যতোদিন খুশী ততোদিন অবস্থান করতে পারতো। পরবর্তীতে তাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষিণে যুক্ত করা হয়েছিল। আমি তার কিছু দেখেছি। ঢাকা, দিনাজপুর, রংপুর, নোয়াখালীতে তাদের পরিধেয় বস্ত্র তৈরীর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছিল।


ড. বিনা ডি কস্তা ডেভিসের সাক্ষাৎকারটি এখানেই শেষ করেছিলেন। পরবর্তীতে এটি অস্ট্রেলিয়ার কোনো একটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয় বলে জানা যায়। এটি প্রকাশ হওয়ার ছয় বছরের মাথায় ২০০৮ সালে ডা. জিওফ্রে ডেভিস মারা যান। ড. বিনা বলেছেন, এ সাক্ষাৎকারটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। যেটি বাংলাদেশে পাকিস্তানীদের মানবতাবিরোধী অপরাধের সাক্ষ্য হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে। পরবর্তীতে যদিও পাকিস্তান তাদের বিভিন্ন মতামত বিশ্লেষণে দাবি করেছে, যতোটা বলা হয়েছে ততোটা অপরাধে লিপ্ত ছিল না তাদের সেনাবাহিনী। তবে পাকিস্তানের সে দাবি যে ভিত্তিহীন তা আজ উন্মোচিত হয়েছে।


ড. বিনা ডি কস্তা আশা করেন এটি বাংলাদেশের মুক্তিযদ্ধের ইতিহাসের একটি অধ্যায় হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে। নতুন প্রজন্ম এখান থেকে আরো কিছু জানতে পারবে।


এছাড়া বিনা ডি কস্তা তার ‘বাংলাদেশেজ ইরেজ পাস্ট’ প্রবন্ধে লিখেছেন, সরকারি হিসাব অনুযায়ী একাত্তরে ধর্ষণের শিকার নারীর সংখ্যা দুই লাখ। একটি ইটালিয়ান মেডিক্যাল সার্ভেতে ধর্ষণের শিকার নারীর এ সংখ্যা উল্লেখ করা হয় চল্লিশ হাজার। লন্ডন-ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল প্লান্ড প্যারেন্টহুড ফেডারেশন (আইপিপিএফ) এ সংখ্যাকে বলেছে দুই লাখ। অন্যদিকে ডা. জিওফ্রে ডেভিসের মতে ওই সংখ্যা দুই লাখেরও অনেক বেশি। সুজান ব্রাউনমিলারও (সমাজকর্মী ও গবেষক) ধর্ষিতার সংখ্যা চার লাখ বলে উল্লেখ করেছেন। ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার এনবিসি টেলিভিশন ধর্ষিত নারীদের ওপর একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। এতে কেন এতো ধর্ষণ ঘটেছিল তার আরো অনেক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়।


১৯৭১ সালে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান সরাসরি বাঙালিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য পাকিস্তান আর্মিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ বিষয়টি ২০০২ সালে ডনে প্রকাশ করা হয়েছিল। আর ইয়াহিয়ার এ কথাটি কোট করা হয়। সেখানে প্রকাশ করা হয়, যশোরে একদল সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এয়ারপোর্টের কাছে জড়ো হওয়া অপর একদল বাঙালির দিকে আঙুল নির্দেশ করে বলেন যে, আগে এদেরকে মুসলমান বানাও।


এ ধরনের কথা অনেক বড় তাৎপর্য ধারণ করে। এর অর্থ, উচ্চ পর্যায়ের সামরিক অফিসারদের মধ্যে এ ধারণা স্পষ্ট ছিল যে বাঙালিরা খাঁটি মুসলমান নয়। এ ধারণার সাথে আরো দুটো সেন্টিমেন্ট যুক্ত ছিল। যদিও সেটি নিছক আর অবান্তর ছিল। তারা ভেবেই নিয়েছিল বাঙালিরা দেশপ্রেমিক পাকিস্তানী নয় এবং তারা হিন্দু আর ভারতের সাথে অনেক বেশি ঘনিষ্ট।


ইয়াহিয়া খানের ওই উক্তিতে উৎসাহিত হয়ে পাকিস্তান আর্মি বাঙালিদেরকে ‘মুসলমান’ বানানোর সুযোগ লুফে নিয়েছিল। আর এর জন্য বাঙালি মেয়েদের ধর্ষণ করে নতুন প্রজন্ম তৈরি করতে চেয়েছিল। পাকিস্তানি সৈন্য এবং তাদের এদেশীয় দোসররা শুধু যত্রতত্র ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হয়নি। জোর করে মেয়েদেরকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ধর্ষণ ক্যাম্পে। দিনের পর দিন আটকে রেখে প্রতিনিয়ত ধর্ষণ করা হয়েছে। পালাতে যাতে না পারে সেজন্য বিবস্ত্র করে রাখা হতো। সিলিং এ ঝুলে আত্মহত্যা যাতে করতে না পারে তার জন্য চুল কেটে রাখা হতো তাদের।


আর টিক্কা খানের নির্দেশই মূলত বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। পাকিস্তান সেনাবাহিনী একটি ‘উত্তরসূরি’ রেখে যেতেই এ ধরনের মানবতা বিরোধী অপরাধে উন্মত্ত হয়ে পড়েছিল। আর যে দায় কখনোই পাকিস্তানের তৎকালীন প্রশাসকরা এড়িয়ে যেতে পারবেন না।


ড. বিনা ডি কস্তা


তিনি বিশেষভাবে পরিচিত উন্নয়ন ও মানবাধিকার কর্মী হিসেবে। এছাড়া তিনি দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা বিষয়ের ওপরও গবেষণা করেন। তিনি অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং নিরাপত্তা বিষয়ক পাঠদান করে থাকেন। নটর ডেম ইউনিভার্সিটি থেকে তিনি যুদ্ধ ও শান্তি বিষয়ক পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

শিক্ষক ছাড়া কুরআন শিক্ষার সহজ পদ্ধতি – প্রথম খণ্ড



undefined
লেখকঃ আবু আহমাদ সাইফুদ্দীন বেলাল 
মহাগ্রন্থ আল-কুরআন আমাদের প্রতি আলাহর পক্ষ থেকে একটি পবিত্র বড় আমানত। কিছু মুফাসসীরগণের মতে, আকাশ, পৃথিবী ও পর্বতমালা এই প্রবিত্র মহাআমানত বহন করতে অপরগতা স্বীকার করে। বাবা আদম (আ:) জান্নাতে থাকা অবস্থায় মহান আমানতের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। আলাহ তা‘য়ালা আদম (আ:)-এর সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান সর্বশেষ নবী ও রসূল মুহাম্মদ (সা:)-এর প্রতি সর্বশেষ কিতাব রমজানের লাইলাতুল কদরে অবতীর্ণ করেন। দীর্ঘ ২৩ বছরে পূর্ণ কুরআনের নাজিল সম্পন্ন হয়। কিয়ামত পর্যন্ত কুরআন অপরিবর্তিত ও অবিকৃত থাকবে; কারণ আলাহ তা‘য়ালা তাঁর কিতাবের হেফাজতের দায়িত্ব নিজেই গ্রহণ করেছেন।
আল-কুরআন কিয়ামতের দিন তার পাঠকদের জন্য আল্লাহর দরবারে সুপারিশ করবে। আর যারা এ কিতাবকে ত্যাগ করবে তথা পাঠ করবে না, এর উপর আমল ও এ দ্বারা বিচার ফয়সালা এবং মেনে চলবে না তারা কিয়ামতের মাঠে কুরআন ত্যাগকারী বলে বিবেচিত হবে তখন তাদের বাঁচার উপায় কি হবে???!!!
এই পবিত্র আমানত রক্ষার জন্য আমাদের প্রত্যেকের প্রতি চারটি কাজ জরুরি:
. কুরআন মজীদের বিশুদ্ধ তেলাওয়াত শিখে নিয়মিত পাঠ করা।
. কুরআনুল কারীমের যে অর্থ ও তফসীর রসূলুল্লাহ (দ:) তাঁর সাহবাগণকে শিক্ষা দিয়েছিলেন তাঁদের পরে তাবে‘য়ী ও ইমামগণ তাই শিখে ছিলেন। আমাদেরকেও সেই সঠিক অর্থ ও তফসীর জানা।
. সঠিক অর্থ ও তফসীর জেনে প্রতিটি বিষয়ে তার প্রতি যথাযত আমল করা।
. নিজেরা আমল করলেই চলবে না বরং অন্যদেরকেও কুরআনের দা‘ওয়াত ও তাবলীগ করা।
বিশুদ্ধভাবে কুরআন তেলাওয়াত শিখার জন্য প্রতিটি ভাষায় কিছু পুস্তক প্রণয়ন করা হয়েছে। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ মুসলিম দেশ। পৃথিবীতে প্রায় ৩৫ কোটি বাংলাভাষী মানুষ রয়েছে, যাদের অধিকাংশ মুসলিম। বাংলাভাষী মুসলিম ভাইদের কুরআন শিক্ষার প্রতি চরম আগ্রহ পরিলক্ষিত হয়। কিন্তু আজ স্বাধীনতার প্রায় ৪০ বছর পরেও আমাদেরকে যাঁরা কুরআনের তা‘লিম তথা শিক্ষা দেন তাঁদের সিংহভাগ আজও উর্দু ও ফার্সী নিয়ম থেকে অতিক্রম করতে পারেননি। উর্দু ও ফার্সী নিয়মে আধুনিক নাম দিয়ে বাজারে বিভিন্ন ধরনের বহু বই-পুস্তক রয়েছে।
আরো বড় আশ্চর্য লাগে আরবি কুরআন শিক্ষার জন্য আরবি ও বাংলা ভাষার মাঝে শিক্ষার্থীদের মাথার উপর উর্দু-ফার্সীর বোঝা চাপানো দেখে। এ ছাড়া আরো আশ্চর্যের কথা হলো: যখন এক শ্রেণীর মানুষ উর্দু-ফার্সী নিয়মকেই আরবি বলে চালিয়ে দেন। আর উর্দু-ফার্সীর ঝামেলা নয় বরং সরাসরি আরবি টু বাংলার নতুন দিগন্ত উম্মচন করতে আমাদের এ ছোট প্রয়াস।
বইটির চারটি অংশ রয়েছে: (এক) কুরআনের পরিচিতি। (দুই) কুরআন শিক্ষার সহজ ব্যাকরণ। (তিন) তাজবীদ অংশ। (চার) কুরআন সম্পর্কে প্রায় একশত প্রশ্নের উত্তর। এই বইটি আমরা যারা প্রথম থেকে কুরআন শিখতে ইচ্ছুক তাদের জন্য নতুনভাবে প্রকাশ করা হলো। বইটির বাকি ৩টি খণ্ড খুব শীঘ্রই আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হবে।
বইটি সর্বশ্রেণীর মানুষের জন্য প্রযোজ্য। তবে নিজের প্রিয় মাতৃভাষা বাংলায় কিছুটা দখল থাকলে অতিদ্রুত ও সহজে বিশুদ্ধভাবে কুরআন পাঠ করা সম্ভব। ইনশাআল্লাহ্‌ আগামি কয়েক মাসের মধ্যে আমরা এই বইটির সিডি আপলোড করব। যদি এই বইটি এবং এর সিডি এক সাথে মিলে অনুশীলন শুরু করেন, তবে ১০০% নিশ্চিত যে, আপনি পৃথিবীর যেখানেই থাকুন না কেন শিক্ষক মহোদয় আপনার সাথেই আছেন।
আপনারা এই ওয়েবসাইট থেকে আপাতত আরবি উচ্চারন শিক্ষতে পারবেন - http://tajweedinenglish.com/

বইটির কিছু বৈশিষ্ট্যঃ

. কুরআন পাঠের জন্য বাংলা ভাষার সাথে সমঞ্জস্যপূর্ণ একটি বই।
. কুরআন শিক্ষার ব্যাকরণ সম্মত একটি কিতাব।
. সরাসরি আরবি টু বাংলার ব্যবহার।
. উর্দু ও ফার্সীর ঝামেলা মুক্ত একটি বই।
. প্রতিটি পাঠে কুরআন ও আরবি ভাষার শব্দ দ্বারা উদাহরণ।
. প্রতিটি পাঠে অনুশীলনী ও সহজে বুঝার জন্য বিভিনড়ব রঙের ব্যবহার।
. সিডির সাহায্যে শিক্ষক ছাড়া ঘরে বসে কুরআন শিখার সুব্যবস্থা।
. সৌদি আরবের বাদশাহ ফাহাদ ইবনে আব্দুল আজিজ -এর কুরআন প্রিন্টিং প্রেস হতে আরবি নিয়মে ছাপা কুরআন পড়ার সমস্যা দূরকরণ।

 ডাউনলোড | Download 

ডাউনলোড করুন MediaFire থেকে


নোকিয়া ফোনের ফ্লাশিং সফটওয়্যার- নিজেই হয়ে যান নোকিয়া কেয়ার!!!

আসসালামু আলাইকুম।
আমরা বেশিরভাগই নোকিয়া মোবাইল ফোন ব্যবহার করি এবং বর্তমানে Made By Nokia -ই বেশি। আর এর একটা বড় অসুবিধা হল মঝে মাঝে এতে Install করা firmware টি নষ্ট হয়ে যায়, যে কারণে ফোন হ্যাং হওয়া, Restart হওয়া, Calculator, Music Palyer সহ আরো প্রয়োজনীয় Application হারিয়ে যায়। অবশেষে ফোন একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। যা ঠিক করার জন্য আমাদের নোকিয়া কেয়ার বা স্থানীয় ফোন সার্ভিস সেন্টারে যেতে হয়। Warranty থাকলে নোকিয়া কেয়ারে কোন টাকা লাগে না কিন্তু না থাকলে সর্বনিম্ন ৩৫০ টাকা লাগে আবার বাইরে থেকে Flash দিলে মিনিমাম ২০০ টাকা লাগে (তাও আবার জেনুইন Firmware নয়)।
আর একবার Flash দিলে বার বার দেয়া লাগবে না এর কোন নিশ্চয়তা নেই।তাহলে বুঝতেই পারছেন এমন একটা Software আমাদের লাগবে যা দিয়ে আমরা নিজেরাই Flash দিতে পারব।
যাই হোক আমি আপনাদের সেইরকম একটি সফটওয়ার এর কথা বলব যেটি দিয়ে শুধুমাত্র Cable Connection এর মাধ্যমেই আপনার ফোনের Firmware  Install করতে পারবেন, কোন Flashing Board লাগবে না। সফটওয়ারটির নাম Phoenix Service Software। এটি দিয়ে Dead phone(যেটি আর কোনভাবেই চালু হচ্ছে না)ও Flash করতে পারবেন ।
প্রথমে সফটওয়ারটি ডাউনলোড করুন মিডিয়াফায়ার থেকে-
New Version ==>> http://www.mediafire.com/file/g8nhzl85dbbl0qm/
PASSWORD==>> guarforum
শ্যাম সুন্দর দাদার দেয়া লেটেস্ট ভার্সনটি (Phoenix_Service_Software_2011.24.002.46258.exe (99.6 MB) ডাউনলোড করুন এখান থেকে।
ডাউনলোড শেষে সফটওয়ারটি Install করুন। আমার ৩১১০ ক্লাসিক সেটের Flash দেয়ার পর্যায়ক্রমিক ধাপ  screenshot-এর মাধ্যমে দেখানো হল-
এভাবে Setup দিন-
১.
২.
৩. Setup শেষ হলে Software টি Run করান। নিচের মত window আসবে-
৪. যে Nokia Mobile টি ফ্লাশ করবেন সেটি  Switch Off করে Data Cable দিয়ে PC'র সাথে কানেক্ট করান। এখন  File Menu থেকে ছবিতে প্রদর্শিত উপায় অনুসরন করুন-
৫. আপনার Phone-এর RM জানার জন্য ফোন থেকে ডায়াল করুন *#0000#. এখন আপনার ফোনের সঠিক RM টি সিলেক্ট করুন। আমার ৩১১০'র জন্য RM-237.
৬. এবার  File>Manage Connections.. এবং No Connection সিলেক্ট করুন।(বি. দ্র.: আপনাকে অবশ্যই No Connection সিলেক্ট করতেই হবে)। এখন Apply করে  Close করুন।
৭. এবার Firmware ডাউনলোড করার পালা। Tools থেকে Image File Download -এ ক্লিক করুন।
৮. এখানে আপনাকে Product Code দিতে হবে। এই কোডের জন্য আপনাকে ফোনের ব্যাটারি রিমুভ করতে হবে। ব্যাটারি স্লটে যেখানে ফোনের মডেল নম্বর থাকে সেখানে সাত ডিজিটের একটা কোড থাকে। এটাই Product Code.
৯.Product Code -এ কোডটি লিখুন। Download বাটন এ ক্লিক করুন।
১০. Download শেষ হলে Flash দেয়া শুরু করা যাবে। প্রথমে  মেনু বার থেকে Flashing>Firmware Update -এ ক্লিক করুন।
১১. নিচের ছবিগুলো অনুসরন করুন-
১২.
১৩. Dead Phone USB flashing বক্সটি Check করুন। তারপর Refurbish -এ ক্লিক করুন।
১৪. এই অবস্থায় Press power button এই message দিলে  ফোনের Power Button একটু চাপ দিয়ে ধরে রাখুন। taskbar এ Found New Hardware দেখালে বাটন ছেড়ে দিন।
এবারে অপেক্ষা করুন। ৭-১০ মিনিটের মধ্যেই Flashing শেষ হয়ে যাবে এবং ফোনটি অন হবে ইনশাল্লাহ।
আবারও চিত্র ...
Flash দেয়া তো শেষ হল কিন্তু ভবিষ্যতে যদি আবারও Flashing -এর প্রয়োজন হয় তখন ... বার বার Firmware Download না করে আমরা Firmware ফাইল টি  Save করে নেব। কিভাবে? C ড্রাইভের Program Files>Nokia>Phoenix. এখান থেকে Products ফাইলটি কপি করে আপনার ইচ্ছামত জায়গায় সেভ করুন। পরে যখন দরকার হবে তখন আবার ঐ ফাইলটি Phoenix-এর মধ্যে রাখলেই হবে। তখন আর Download করা লাগবে না। আবারও চিত্র...
যারা ফোনে ফ্ল্যাশ দেয়ার ব্যবসা করেন তারা মাফ করবেন।
ভালো লাগলে Comment করবেন। সমস্যা হলে জানাবেন। আর ভুল হলে ক্ষমা করতে ভুল করবেন না।

♣♀♣ ইন্টারনেট ছারাই (অফলাইনে) যে কনো ব্লগ পড়ুন ♣♀♣

আজকে আমরা দেখবো কিভাবে ইন্টারনেট ছারাই টেকটিউন বা অন্য যে কনো সাইট ব্রাউস করা যায় ও অফলাইনে পড়া যায়।যাদের বাসায় ইন্টারনেট নাই তাদের উপকার হবে আসা করি। এছারাও টেকটিউনসের সার্ভার ডাউন থাকলে সাইটে না ঠুকতে পারলে এভাবে পড়তে পারবেন। কেউ আবার ভেবে বসবেন না আমার মাথা মুথা আউলায়া গেছে। হাহা। কাজটা খুব সহজ আসলে একটা সোফটওয়্যার এর দারা এটা করা যায়। আজকে সেটা নিয়ে আলোচনা করবো আমরা। এই সোফট টি দিয়ে আপনে অফলাইনে টেকটিউন সহ অন্য সব ব্লগ পড়তে পারবেন। মনে করুন আপনে টেকটিউনস প্রেমি বাট আপনার বাসায় নেটের নাইল নাই তাহলে যে কনো সাইবার কেফে গিয়ে আপনে আপডেট করে নিয়ে আসুন পেন ড্রাইভে তারপর বাসায় বসে ইন্টারনের ছারাই টেকটিউনস পড়ুন।আমরা যেমন এন্টিভাইরাস আপডেট করি না? কাজটা অনেকটা সেরকম ই। আপনে অন্য কথাও থেকে আপডেট করে নিয়ে অফনাইলে ইন্টারনেট ছারাই তখন পড়তে পারবেন।আবার মনে করুন আপনার একটি সাইট আছে যার সব কিছু কপি করে রাখতে চান নিজের পিসিতে তাহলেও এটা ইউস করতে পারেন। বুঝাতে পারলাম? তো আর কি? চলেন শুরু করি এবার। :)
অফ টপিক:- কিভাবে আমার বাংলা ব্লগিং যাত্রা শুরু (এক্সট্রা পেচাল না পড়লেও চলবে তেমন ইম্পরটেন্ট না)
আসলে বাংলা ব্লগিং শুরু করেছি আমি ৩মাস হবে হটাত একদিন না জানি কি কারনে প্রথম আলো ব্লগে গিয়ে দেখি রিয়াদ ভাইয়ের একটা টিউন "কি দিয়েছে ১৪০০ বছরের ইসলাম"? মুক্ত আলোচনা দেখে ভালো লাগলো তারপর আমি রেজিসটার করলাম ঐ ব্লগে এভাবেই আমার বাংলা ব্লগে আসা।যাত্রা শুরু হয়েছি অনেক ঝগরা দিয়ে, হাহাহা, পড়ে সবার ফেভারিট হয়ে যাই না জানি কিভাবে। সবার ভালোবসায় আমি সত্যি মুগ্ধ।প্রথম আলো ব্লগের সবার কাছে আমি ক্রিতগ্গ।অনেকটা এমন একটা টিউন দেখেছিলাম প্রথম আলো ব্লগে আমার ফেভারেট একজন ব্লগার রিয়াদ ভাই করেছিলো। ৪/৫দিন আগে রিয়াদ ভাইকে জিগাস করলাম আমি এমন একটা টিউন করতে চাই যেহুতু আপনে আগে করেছেন তাই আপনার পারমিশন নিয়ে করতে চাই।যদিও সোফট টা আমার না উনারো না। এটা আসলে একটা ভালোবাসা উনার প্রতি আমার। যাই হোক। এই আরকি। হাত বেথা হয়ে গেছে এতকিছু লিখে একটু হোল্ড করুন ধুমপান করে নেই শান্তি করে।হাহাহাহা :) :) :) :) :)

চলুন শুরু করি

১। টিউন ইনস্টলেশন:-
|---------------------------|
|ইউসার লেভেল - মিড লেভেল
|ডিফিকাল্টি - ২০%

|ডাউনলোড করুন এখানে ক্লিক করে
|---------------------------|
। ডাউন লোড হয়ে গেলে সোফট টি নরমাল ভাবে ইনস্টল করুন। তারপর ওপেন করে বন্ধ করে দিন।
৩। পেচ ফাইলে ক্লিক করুন তারপর পেচ লিখাটায় ক্লিক করুন তারপর এখানে যান c/program files/Offline Explorer Enterprise/ এখন OE.exe টা সিলেক্ট করে ওপেন করুন নিচের ছবির মত।

হয়ে গেছে এবার ৪নং দেখুন।
৪। এখন ডেস্কটপ থেকে Offline Explorer Enterprise ওপেন করুন project URL এর ঘরে লিখুন http://techtunes.com.bd আর project নেম এর ঘরে লিখুন tt নিচের ছবির মত তারপর নেক্সট দিন।

এবার ১ লিখাটা আছে না? সেখানে যদি চান প্রথম ২/৩ পাতা আপলোড করবেন তাহলে ১ উঠিয়ে ৩দিয়ে দিন। আর প্রথমে ১দিয়েই করুন টেস্ট হয়ে যাবে। (১পাতায় যত পোস্ট আছে সব ডাউনলোড করেছি আমি ৬/৭ মিনিটে আমার স্পিড ছিলো ১৫-১৮কেবি)

নেক্সট দিন/আবার নেক্সট দিন/আবার নেক্সট দিন/আবার নেক্সট দিন/ এবার দেখুন ডাউনলোড শুরু হয়ে গেছে। নিচের ছবির মার্ক করা জায়গাটা দেখুন। connecting to host techtunes তার মানে ডাউনলোড হতেছে। আর একি জায়গায় যদি দেখুন Download completed লিখা তার মানে ডাউনলোড করা একদম শেষ।

৫। যদি মনে করেন যতটুক চেয়েছেন ততটুক ডাউনলোড হয়ে গেছে তাহলে নিচের ছবির মত নির্দিষ্ট Project (TT)-এ রাইট ক্লীক করে → Download → Stop এ ক্লীক করুন। আপনি চাইলে আবার একই জায়গা থেকে ReStart Download দিয়ে ডাউনলোর শুরু করতে পারবেন। আবার যদি চান আপডেট করতে তাহলে আপডেট ও করে নিতে পারবেন। নিচের ছবিটি দেখুন।

৬। এবার ফাইলটি কে ওয়েব সাইট আকারে সেভ করতে চাইলে → File → Export এ ক্লীক করুন। এবার ডায়ালগ বক্সে ফাইলটি কোথায় Export করবেন সেই লোকেশনটি নির্ধারন করে দিন। অতঃপর Export বাটনে ক্লীক করুন। নিচের ছবির মত

এবার নিচের ছবির মত ব্রাউসে ক্লিক করে যেখানে সেফ করতে চান জায়গা দেখেন তারপর ওকে দিয়ে Export ক্লিক করুন তারপর একটু সময় দিন Export হয়ে যাবে।

৬। টিং টিং টি টিং, এবার রেডি হয়ে যান ইন্টারনেট ছারা টেকটিউনস পড়তে প্রথমে টেস্ট করার জন্য আপনার নেটের নাইল ডিসকানেক্ট করুন। এখন যেখানে Export করেছিলেন সেই ফোল্ডারে যান গিয়ে দেখুন অনেক ফাইল আছে সেখান থেকে contents.htm নামের ফাইল টি মজিলা দিয়ে ওপেন করুন (এক্সপ্লরার দিয়ে কেনো জানি আপাতত আমি পারতেছি না।)

তারপর নিচের ছবির মত একটা পেজ ওপেন হয়ে মজিলাতে। TT লিখাতে ক্লিক করুন ও ব্রাউস করা শুরু করুন ইন্টারনেট ছারা।

এক ঝলক দেখে নিন কেম লাগে অফলাইনে ব্রাউস করতে নিচের ছবিতে

Alertpay তে একাউন্ট তৈরির প্রক্রিয়ার A to Z


Alertpay তে একাউন্ট করার সময় আপনার সঠিক তথ্য গুলো দিবেন, কোন ফেক বা মিথ্যা তথ্য দিবেন 
না । 
একাউন্ট তৈরির প্রক্রিয়া অ্যালার্টপে সাইটে তিন ধরনের একাউন্ট রয়েছে- 
 

Personal Starter
*Personal Pro
Business
একাউন্টগুলোর যেকোনো একটিতে বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশন করা যায় এবং পরে যেকোনো সময় একাউন্ট পরিবর্তন করা যায়। তিনটি একাউন্টের সাহায্যেই ইন্টারনেটে নিরাপদে কেনাকাটা করা এবং বিনামূল্যে অন্য ব্যবহারকারীকে টাকা পাঠানো যায়। এর বাইরে তিনটি একাউন্টের আলাদা সুযোগসুবিধা রয়েছে। এগুলো হচ্ছেঃ–- 
Personal Starter : এ ধরনের একাউন্টের একমাত্র বড় সুবিধা হচ্ছে অন্য অ্যালার্টপে ব্যবহারকারী থেকে টাকা গ্রহণ করতে কোনো ধরনের ফি দিতে হয় না। তবে এ ধরনের একাউন্টে কেউ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে টাকা দিলে তা পাওয়া যায় না। আরেকটি অসুবিধা হচ্ছে মাসে ৪০০ ডলারের বেশি টাকা গ্রহণ করা যায় না এবং সব পেমেন্টসহ সর্বমোট ২,০০০ ডলারের বেশি অর্থ গ্রহণ করা যাবে না। *Personal Pro : ফ্রিল্যান্সারদের জন্য এ ধরনের একাউন্টে সব ধরনের সুবিধা পাওয়া যায়। এখানে টাকা গ্রহণে কোনো সীমাবদ্ধতা নেই। তবে এক্ষেত্রে অন্য একজন অ্যালার্টপে ব্যবহারকারী থেকে টাকা গ্রহণ করলে ২.৫% + ০.২৫ ডলার ফি দিতে হয়। ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কোনো ব্যবহারকারী টাকা পাঠালে ফি-র পরিমাণ হয় ৪.৯% + ০.২৫ ডলার। এ ধরনের একাউন্টের একটি বড় সুবিধা হচ্ছে এর ব্যবহারকারী ইচ্ছে করলে নিজের ওয়েবসাইটে অ্যালার্টপে যুক্ত করে কোনো পণ্য বা সার্ভিস বিক্রি করতে পারবেন এবং ক্রেতার কাছ থেকে সহজেই টাকা গ্রহণ করতে পারবেন।
 Business: বিজনেস : এ একাউন্টের সাহায্যে আপনার নিজস্ব ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের নামে অনলাইনে অর্থ লেনদেন করতে পারবেন। এখানে একটি একাউন্টের সাহায্যে একাধিক ব্যবসায় পরিচালনা করা যায়। এ একাউন্টের আরেকটা সুবিধা হচ্ছে একসাথে একাধিক ব্যবহারকারীকে টাকা পাঠানো যায়। আর টাকা গ্রহণ করার ক্ষেত্রে  বিজনেস একাউন্টের মতো সমপরিমাণ ফি দিতে হয়। চলুন দেখে নেই কিভাবে করবেনঃ—— 
*Alertpay তে account খুলতে এখনে ক্লিক করুন। 

লোড না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
সাইটটি লোড হওয়ার পর ডান পাশের Sign Up লেখা বাটনটিতে ক্লিক করুন। নতুন একটি পেইজ ওপেন হবে।

Select your country বক্সটি থেকে Bangladesh সিলেক্ট করুন। 

তবে আমি বলবো আপনি যেহেতু নতুন তাই আপনি একটি
Select your account type থেকে Personal Pro একাউন্ট খুলে নিন তাতে আপনার অনলাইনে আয় করতে সুবিধা হবে।
Select your account type থেকে 
Personal Starter অথবা 
Personal Pro অথবা 
Business. সিলেক্ট করুন। তারপর পেইজটির নিচের অংশে ডান পাশে Next Step বাটনটিতে ক্লিক করে পরবর্তী পেইজটির জন্য অপেক্ষা করুন।
নতুন পেইজটি পুরোপুরি ওপেন হওয়ার পর Contact Information নামে একটি Registration Form দেখতে পাবেন। 
Registration Form টি প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে পুরণ করুন। 
Salution: এখানে আপনি Mr. বা Mrs. যাই হোন তা লিখুন। 
First Name: এখানে আপনার নামের প্রথম অংশ লেখুন। 
Last Name: এখানে আপনার নামের শেষ অংশ লেখুন।
Address Line 1: এখানে আপনার ঠিকানা লেখুন। 
Address Line (Optional) 2: প্রয়োজন নাই। 
City: আপনার শহরের নাম লেখুন। 
Region: এখানে লেখুন দক্ষিন এশিয়া 
South Asia Postal Code: এখানে পোস্টকোড লেখুন। 
Country: এখানে আপনার দেশের নাম Banglades লেখুন। Citizenship: Bangladesh সিলেক্ট করুন। 
Home Phone: Bangladesh+880থাকবে এবং এর নিচের বক্সে আপনার মোবাইল নম্বর লেখুন।
Occupation: আপনার পেশা কী সেটা সিলেক্ট করুন। 
Date Of Birth: আপনার জন্ম তারিখ সিলেক্ট করুন। 
এরপর পেইজটির নিচের অংশে ডান পাশে 
Next Step বাটনটিতে ক্লিক করে পরবর্তী পেইজটির জন্য অপেক্ষা করুন। 
নতুন পেইজটি পুরোপুরি ওপেন হওয়ার পর AlertPay Account Login নামে একটি Form দেখতে পাবেন।
Form টি প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে পুরণ করুন। 


Email Address: এখানে ইমেইল এড্রেস লেখুন।
Password: এখানে নূন্যতম ৬ অক্ষরের একটি পাসওয়ার্ড লেখুন। Re-enter Password: পুনরায় নূন্যতম ৬ অক্ষরের পাসওয়ার্ডটি লেখুন। 
Transaction PIN: ৪ থেকে ৮ অক্ষরের যে কোন একটি নাম্বার লেখুন। 
Re-enter transaction PIN: পুনরায় ৪ থেকে ৮ অক্ষরের নাম্বারটি লেখুন। 
Password Recovery: 
Security Question #: তীর চিহ্নটিতে ক্লিক করে একটি প্রশ্ন সিলেক্ট করুন। 
Answer #: এখানে প্র্রশ্নটির উত্তর লেখুন।
Third Party Information: এখানে No এর পাশে ছোট গোল ঘরটিতে (রেডিও বাটন) ক্লিক করুন।
Word Verification: এই অংশে বড় বড় যে অক্ষরগুলো দেখতে পাবেন সেগুলোকে ঠিক সেইভাবেই নিচের বক্সটিতে লেখুন। User Agreement: I agree to AlertPay's User Agreement এর পাশে ছোট চারকোনা বক্সটিতে ক্লিক করুন। 
এখন পেইজটির নিচের অংশে ডান পাশে Final Step বাটনটিতে ক্লিক করে পরবর্তী পেইজটির জন্য অপেক্ষা করুন। 
নতুন পেইজটি পুরোপুরি ওপেন হওয়ার পর নিচের মত কিছু লেখা দেখতে পাবেন: 
Referred By: এখানে একটি রেফারকারীর নাম দেয়া থাকেব। Validate Email Check your email We have sent an email to example@gmail.com Click on the Validation Link In the email, click on the validation link or copy and paste the link into your browser.
Didn't receive a validation email? 
Click here and we will send you another one!. 
Earn money ! by Referral program. 
এখন আপনি আপনার ইমেইল একাউন্টটিতে লগ ইন করে ইনবক্সটি চেক করুন। লক্ষ্য করুন ALERTPAY: Validate Your Email শিরোনামে একটি Message
দেখা যাচ্ছে। Message টি ওপেন করুন।
আপনাকে সম্বোধন করে নিচের মত কিছু লেখা থাকবে: 
Dear অমুক/তমুক, You have 1 step remaining to complete your registration. Please click on the following link
or Copy and Paste in your browser to validate your e-mail address: উপরের লেখাগুলোর পরেই একটি হালকা নিল Validation link থাকেব, সেটার উপরে ক্লিক করুন। নিচের মত তথ্য নিয়ে নতুন একটি পেইজ ওপেন হবে:
অনেক কষ্ট হলো, তাই না? আপনি অনেক কষ্ট করে ALERT PAY তে সফলতার সাথে একটি একাউন্ট করেত সমর্থ হয়েছেন।

বি.দ্র: ALERT PAY সাইটিকে আমরা একটি ব্যাংকের সাথে সাদৃশ্য করতে পারি। অর্থাৎ, ব্যাংক একাউন্টে যেমন আমরা টাকা জমা রাখা বা তুলেত পারি, ALERT PAY তে একাউন্ট মানে ঠিক ঐ কাজগুলোই করার সুযোগ গ্রহন করা। 

শুধু নেটে কাজ করে আয় করলেই হবেনা কাজ করে সেই টাকা হাতেও আনতে হবে। আর এর মাধ্যম হলো অনলাইন ব্যাংক। অনলাইন ব্যাংকের মধ্যে এলার্টপে হলো একটি অন্যতম জনপ্রিয় অনলাইন ব্যাংক, যার সাহায্যে ইন্টারনেটে নিরাপদে কেনাকাটা করা ও বিনামূল্যে অন্য ব্যবহারকারীকে টাকা পাঠানো যায় এবং নেটের টাকা নিজের ব্যাংক একাউন্ট -এ নিয়ে আসা যায়।
এলার্টপে একাউন্ট এ লগিন করুন এবং Profile ক্লিক করুন। তারপর “Verification” ক্লিক করুন।
অনেক গুলো ভেরিফিকেশন অপশন দেখতে পারবেন, 
৩-নং অপশন এ আপনার মোবাইল নাম্বার দিয়ে ভেরিফাই করে নিন। 
একদম সহজ, আপনার মোবাইল নাম্বার দিবেন,
আপনার মোবাইলে মেসেজের মাধ্যমে একটি কোড আসবে এবং সেই কোড যথাস্থানে বসিয়ে ভেরিফাই করে নিবেন। 
এছাড়া আপনার ব্যাংক একাউন্টে অথবা আপনার ক্রেডিট কার্ড ভেরিফাই করে নিন। 
এলার্টপে একাউন্ট থেকে ৪টি ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে টাকা আনা যায়। পদ্ধতিগুলো হল – 
১'চেক
২'ক্রেডিট কার্ড
৩'ব্যাংক ট্রান্সফার এবং 
৪'ব্যাংক ওয়্যার। 
১) চেক: এই পদ্ধতিতে একটি চিঠির মাধ্যমে চেক পাঠানো হয়। চেকের জন্য এলার্টপে-কে ৪ ডলার ফি দিতে হয় এবং একাউন্টে সর্বনিম্ন ২০ ডলার হলে চেকের জন্য আবেদন করা যায়। আবেদন করার ২ দিনের মধ্যে একটি চেক আপনার ঠিকানায় পাঠানো হবে, যা হাতে পেতে ২ থেকে ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। চেকটি ডলারে পাঠানো হয় তাই যেসব ব্যাংক ডলারে চেক গ্রহণ করে সেখানে এটি জমা দিতে হবে। সরকারী ব্যাংকের মাধ্যমে চেক থেকে টাকা তুলতে অল্প একটা ফি দিতে হয়, তবে সময় বেশি নিবে। আর বেসরকারী ব্যাংকে তুলনা মূলকভাবে বেশি ফি দিতে হবে কিন্তু সময় অনেক কম লাগবে। যাদের ব্যাংক একাউন্ট কিংবা ক্রেডিট কার্ড নেই তাদের জন্য এটি খুব দরকারি, সময় একটু বেশি লাগলেও ঝামেলা কম। প্রথম প্রথম যখন আপনার আয় কম থাকবে তখন এই পদ্ধতি ইউজ করতে পারেন। পরে আয় বাড়লে মাস্টার কার্ড নিয়ে নিতে পারেন। তবে সাবধান, আপনার এলার্ট পে একাউন্টে আপনার ঠিকানা সঠিক ভাবে দিবেন এবং ” চেক” পাঠানোর আগে ঠিকানা ভালো ভাবে চেক করে দিবেন।
২ ) ক্রেডিট কার্ড: যাদের ভিসা বা মাস্টারকার্ড রয়েছে তারা এই পদ্ধতিতে খুব সহজেই টাকা আনতে পারবেন। এলার্টপে সাইটে ক্রেডিট কার্ডের কথা বলা হলেও এটি ডেবিট কার্ডও সাপোর্ট করে। এজন্য প্রথমে এলার্টপে সাইটে কার্ডটি যোগ করতে হবে। কার্ডটি যাচাই করার জন্য এলার্টপে আপনার কার্ড থেকে ১ থেকে ২ ডলারের মধ্যে একটি অর্থ এলার্টপে একাউন্টে নিয়ে আসবে। এরপর কত ডলার লেনদেন হয়েছে এবং সেই পরিমাণটি এলার্টপে সাইটে এসে একটি টেক্সটবক্সে প্রবেশ করাতে হবে। সঠিকভাবে ডলারের পরিমাণটি বলতে পারলে আপনার কার্ডটি অর্থ লেনদেনের জন্য উপযোগী হবে। লক্ষ্যণীয় যে, আপনার এলার্টপে একাউন্টে অর্থ লেনদেনের মূল মূদ্রা হিসেবে ইউরো থাকলে কার্ড যাচাইয়ের পূর্বেই ডলারে পরিবর্তন নিতে হবে। অন্যথায় সঠিকভাবে কার্ডটি যাচাই হবে না। এলার্টপে থেকে কার্ডে প্রতিবার লেনদেনে ৫ ডলার ফি দিতে হয় এবং সর্বনিম্ন ১০ ডলার উঠানো যায়, যা ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে কার্ডে সরাসরি চলে আসে। এরপর নিকটস্থ ATM (যেগুলো মার্সারকার্ড সাপোর্ট করে – যেমন DBBL, Standard Chartered Bank) থেকে যে কোন সময় টাকা তোলা যায়।
৩ ) ব্যাংক ট্রান্সফার: এলার্টপে থেকে ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা আনা যায় না। তবে যাদেরমাস্টারকার্ডে US Virtual Account নামক সার্ভিসটি আছে তারা এই পদ্ধতিতে মাত্র ০.৫ ডলারের বিনিময়ে কার্ডে টাকা আনতে পারেন। আর সময় লাগে মাত্র ২ থেকে ৩ দিন। যারা এক বছর থেকে Payoneer কার্ডটি ব্যবহার করছেন তারা এই US Virtual Account এর জন্য Payoneer সাইটে আবেদন করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনাকে যুক্তরাষ্ট্রের First Bank of Delaware নামক ব্যাংকের একটি ভার্চুয়াল একাউন্ট দেয়া হবে। এই ব্যাংকের সাথে মাস্টারকার্ডটি যুক্ত থাকে। অর্থাৎ কেউ যদি আপনার ওই ব্যাংক একাউন্টে টাকা পাঠায় তখন এটি সরাসরি আপনার কার্ডে জমা হয়ে যাবে। তবে এই ব্যাংক একাউন্ট থেকে কখনও অন্যকে আপনি টাকা পাঠাতে পারবেন না, শুধুমাত্র গ্রহণ করতে পারবেন। এলার্টপে সাইটে এই ব্যাংক একাউন্টটি যুক্ত করতে প্রথমে Add Bank Account পৃষ্ঠায় গিয়ে দেশ হিসেবে United States সিলেক্ট করতে হবে। তারপর Bank Transfer সিলেক্ট করে একাউন্টটির নাম্বার, ABA Routing নাম্বার, ব্যাংকের নাম ইত্যাদি তথ্য দিতে হবে, যা Payoneer সাইট থেকে পাওয়া যাবে। এরপর এলার্টপে থেকে আপনার একাউন্টে ১ ডলারের কম দুটি অল্প অর্থ পাঠানো হবে যা Micro Deposit নামে পরিচিত। দুই দিন পর Payonner সাইটে লগইন করে ডলার দুটি দেখতে পাবেন। এই দুটি লেনদেনের পরিমাণ এলার্টপে সাইটে এসে দুটি টেক্সটবক্সে প্রবেশ করতে হবে। সফলভাবে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে পারলে আপনি সবচেয়ে কম খরচে এলার্টপে থেকে টাকা দেশে আনতে পারবেন। Payoneer 
৪) ব্যাংক ওয়্যার: যাদের কোন ভিসা বা মাস্টারকার্ড নেই তারা এই পদ্ধতিতে দেশের ব্যাংকে সরাসরি টাকা আনতে পারবেন। এটি সাইটের সবচেয়ে ব্যয়বহুল পদ্ধতি। এক্ষেত্রে খরচ পড়বে ১৫ ডলার এবং সর্বনিম্ন ৪০ ডলার হলে এই পদ্ধতিতে টাকা উঠানো যাবে। ব্যাংক ওয়্যারের মাধ্যমে আপনার ব্যাংক একাউন্টে টাকা আসতে প্রায় এক সপ্তাহের মত সময় লাগবে। ব্যাংক ওয়্যারের জন্য প্রথমে সাইটে আপনার ব্যাংক একাউন্টের নাম্বার, ব্যাংক কোড, ব্রাঞ্চ কোড এবং SWIFT CODE যোগ করতে হবে, যা আপনার ব্যাংকে যোগাযোগ করে তথ্যগুলো সংগ্রহ করতে পারেন। 

এখন দেখুন কিভাবে এলার্টপে একাউন্টে আপনার ব্যাংক  
 একাউন্ট যোগ করবেন। 

১. এলার্টপে একাউন্ট এ লগিন করে Overview ক্লিক করুন, তারপর “Add a bank account” ক্লিক করুন
২. তারপর সঠিক ফিল্ডে আপনার ব্যাংক একাউন্টের প্রয়োজনীয় ইনফর্মেশন গুলো ফিল আপ করে এলার্টপে একাউন্ট এ
আপনার ব্যাংক একাউন্টে টি Add করুন। 
এই অ্যালার্ট পে একাউন্ট আপনার অনলাইন ব্যাংক হিসাবে কাজ করবে এবং নেটে আয়ের সাইট গুলো আপনাকে আপনার অ্যালার্ট পে একাউন্টে এ পেমেন্ট করবে, তারপর আপনি সেই পেমেন্ট আপনার ব্যাংক একাউন্টে বা চেকে অথবা Visa বা Master ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডে কিছু চার্জের বিনিময়ে টাকা তুলতে পারবেন। ও আরো আছে টাকা উর্পাজন করুন Alert pay এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই Alert pay এর মাধ্যমে টাকা উর্পাজন করতে পারি। Alert pay হল টাকা আদান প্রদানের একটি মাধ্যম ,যার মাধ্যমে টাকা উপার্জন করা যায়। প্রতিটি Referrals একাউন্ট এর জন্য আপনাকে দেওয়া হবে ১০ ডলার । আপনি তিনটি উপায়ে Alertpay Account থেকে টাকা আয় করতে পারেন-
1. Referrals 
2. Link Code Earn money with AlertPay 
3. Banner Code আপনার Referrals link পেতে Earn Money এর উপর ক্লিক করুন।
তারপর Referrals এর উপর ক্লিক করুন
আপনার এই Referrals link টি copy কোরে সবার সাথে share করুন
আপনার এই Referrals link মাধ্যমে কেউ একাউন্ট করলে আপনি পাবেন ১০ ডলার । Referrals একাউন্ট এর মাধ্যমে টাকা আয় করতে হলে আপনাকে কিছু শর্তপূরন করতে হবে- 1.Referrals must open an AlertPay Personal Pro or Business account. 
2.Referrals must transact $250.00 (sending and/or receiving). 3.After your 10th referral, we will pay you $10.00 USD a referral. 4.Self-referrals, or referrals from the same IP address, will not be paid out.